রবিবার,৩০শে আগস্ট, ২০১৫ ইং,বিকাল ৫:৪৯  

কমিটি না থাকায় নবীনদের সাথে প্রবীনদের বিরোধ সৃষ্টি হচ্ছে ॥ না’গঞ্জ জেলা কার্যালয়ে দায়িত্বশীল নেতাদের না পাওয়ার অভিযোগ

ভেঙ্গে পরেছে আওয়ামী লীগের চেইন অব কমান্ড
নারায়ণগঞ্জ আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে কোন বিরোধ না থাকলেও রহস্যজনক কারনে দলকে পূর্নগঠন করতে পরছে না দলের শীর্ষ নেতারা। জেলা আওয়ামী লীগ দীর্ঘদিন ধরে কান্ডারী বিহীন থাকলেও মহানগর আওয়ামী লীগ চলছে সভাপতি সাধারন সম্পাদককে দিয়ে। বাকী পদগুলো শূণ্য পড়ে আছে দেড় বছর ধরে। তিন মাসে পূর্নঙ্গ কমিটি গঠনের নিদের্শ থাকলেও তা দেড় বছরেও পূরন করতে পারেনি মহানগরের দুই শীর্ষ নেতা। তবে নারায়ণগঞ্জ আওয়ামী লীগের রাজনীতি অনেকটা চাষাঢ়া কেন্দ্রীক হয়ে পরেছে। দলের অপর একটি সূত্রে জানাগেছে, জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয় ২নং রেল গেট এলাকায় হওয়ায় এখানে নেতাকর্মীদেও যাতায়াত অনেকটা কম। তবে জেলা কমিটি গঠন না হওয়া পর্যন্ত জেলা ও মহানগর কমিটি সরব হবে না বলে মনে করছেন দলের মাঠ পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। অপর দিকে নারায়ণগঞ্জ আওয়ামী লীগের জেলা কমিটি না থাকা ও মহানগরের আংশিক কমিটি থাকার কারনে দলের মধ্যে এর প্রভাব পরেছে। মহানগরের আওতায়ধীন কমিটি গঠন প্রক্রিয়া যেমন থমকে রয়েছে, তেমনি জেলার অন্যান্য থানা, ইউনিয়নের কমিটিগুলোরও মেয়াদ শেষ হয়েছে অনেক আগে। এসব কমিটিগুলো বেশীর ভাগই পরিচালিত হচ্ছে মেয়াদ উত্তীণ কমিটি দিয়েছে। দলের অপর একটি সূত্রে জানাগেছে, জেলা, মহানগর ও থানা পর্যায়ের কমিটিগুলো দীর্ঘদিন ধরে পূর্নগঠন না হওয়াতে দলের নেতাকর্মীরা ছিন্ন বিন্ন হয়ে পরেছে। বিচ্ছিন্ন ভাবে পালন করছে দলীয় কর্মসূচি। এছাড়া কমিটির কোন পদে কে আছে তাও অনেকে জানে না। ফলে ভেঙ্গ পরেছে আওয়ামী লীগের তৃর্নমূলের চেইন অব কমান্ড। আর এ কারনে প্রায় সময়ই প্রবীন ও নবীন নেতাদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হচ্ছে। তবে দলকে তৃনমূল থেকে চাঙ্গা করতে নতুন কওে কমিটি গটনের কোন বিকল্প নেই বলে মনে করছেন বোদ্ধা মহল। আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত ক’জন নেতাকর্মীও সাথে আলাপ কালে জানাগেছে, নারায়নগঞ্জের রাজনীতি এখন চাষাঢ়া কেন্দ্রীয় হয়ে পরেছে। জেলা কার্যালয়ে দলীয় নেতার্মীদের উপস্থিতি অনেকটা কম। সন্ধ্যার পর জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে গিয়ে দলের প্রবীন কোন নেতাকে পাওয়া যায় না। মাঝে মধ্যে কোন কর্মসূচি থাকলে এসব নেতাকর্মী কিছু কর্মীর সাথে যোগাযোগ করে থাকে। আর এসব কর্মসূচি শেষে আর কর্মীদের সাথে কোন যোগাযোগ রাখ হয়না। এ কারনে দলের নেতাদের সাথে কর্মীদের যোগাযোগ কর্মসূচি ছাড়া হচ্ছে না। তবে নারায়ণগঞ্জ আওয়ামী লীগের বিরোধ মিটে গেছে দাবি কওে দলের বেশ কিছু নেতা জানান, এ মূর্হুতে কমিটিগুলো নতুন কওে সাজানো হলে নারায়ণগঞ্জ আওয়ামী লীগের অতিতের যে কোন সময়ের তুলনায় আরো শক্তিশালী হতো। তবে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের দায়িত্বশীল একাধিক সূত্রে জানাগেছে, জেলা ও মহানগরের কমিটির তালিকা দলীয় সভানেত্রীর হাতে দেয়া হয়েছে। তবে কবে নাগাদ এসব কমিটি ঘোষণা হবে তা তারা নিশ্চিত করে বলতে পারেনি। তবে জেলা,মহানগরের পাশাপাশি থানা, ইউনিয়নের কমিটিগুলো নতুন কওে সাজানো প্রয়োজন। অন্যথায় তৃনর্মূল থেকে আওয়ামী লীগকে চাঙ্গা করা কোন ভাবেই সম্ভব নয় বলে মনে করছেন বোদ্ধা মহল।  

  বিনোদন বার্তা
  মাঠ বার্তা
  এই কাল - এই সময়
  প্রবাসে-পরবাসে
  বানিজ্য বার্তা
  ফিচার বার্তা
  তথ্য ও প্রযুক্তি
  স্বাস্থ্য কথা
  অপরাধ বার্তা