বুধবার,১লা জুলাই, ২০১৫ ইং,ভোর ৫:৫৯  

দলের সক্রিয় নেতাদের কোন ঠাসা করার ষড়যন্ত্র করা অভিযোগ বিতর্কীতদের বিরুদ্ধে

না’গঞ্জ বিএনপি’র বিরোধ থামছে না
নারায়নগঞ্জ বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় নেতাদের কোন ঠাসা করতে নানামূখী ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে বলে নাম প্রকাে নেতাদের বিরুদ্ধে কাজ করে যাচ্ছে দীর্ঘদিন ধরে। দলের মধ্যে বিরোধ দীর্ঘদিনের হলেও টানা তিন মাে শ অনিচ্ছুক বিএনপির একাধিক নেতা জানিয়েছে। দলের বিতর্কীত নেতারা দলের ত্যাগী ও রাজপথের সক্রিয় সর আন্দোলন করতে গিয়ে বিএনপির সক্রিয় নেতারা একাধিক মামলার আসামী হয়ে কেউ ফেরারী, কেউ জেল হাজতে রয়েছে। এ সুযোগটাকে কাজে লাগাতে চাচ্ছে দলের অনেক বিতর্কীত ও সুবিধাবাদীরা। জেলা বিএনপির নেতৃত্ব নিয়ে দলের বিভিন্ন স্তরের নেতারা তৎপর হয়ে উঠলে অঙ্গ সংগঠনের সক্রিয় নেতাদের রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক ভাবে কোন ঠাসা করার গভীর ষড়যন্ত্র চলছে বলে দলের অপর একটি সূত্র জানিয়েছে। ইতোমধ্যে যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছা সেবক দলে একাধিক গ্রুপিং সৃষ্টি হয়েছে। মূর দলের পাশাপাশি অঙ্গ সংগঠনেও বিতর্কী ও সুবিধাবাদীরা নেতৃত্বে আসতে মরিয়া হয়ে উঠেছে বলেও ওই সূত্রটি জানিয়েছে। তবে দলের তৃনমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা চাচ্ছে দলের সক্রিয়, ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাদের নিয়ে আগামী দিনের কমিটি গঠন করা হোক। অন্যথায় নারায়ণগঞ্জ বিএনপি নতুন করে ঘুরে দাড়তে পারবে না বলে মনে করছেন বোদ্ধা মহল। সূত্রমতে,নেতারা যখন একাধিক মামলার আসামী হয়ে রাজপথ ছেড়ে আত্মগোপনে চলে যায়। যখন বিএনপির নেতাকর্মীরা নেতৃত্ব শূণ্যতার মধ্য দিয়ে দিন পার করতে থাকে। তখন বিএনপির রাজনীতির হাল ধরেন জেলা বিএনপির বেশ কিছু ত্যাগী ও সাহসি নেতা। দলীয় কর্মসূচি পালনসহ দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা জেলা বিএনপির কার্যালয়ের তালা খুলে দিয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের চাঙ্গা করার চেষ্টা করছে। যারা দলের দু:সময়ে দলের হাল ধরেছে এবং নেতৃত্বহীন নেতাকর্মীদের দিক নিদের্শনা দিয়ে দল ও দলের নেতাকর্মীদের উজ্জিবীত রাখার চেষ্টা চালিয়েছে আগামীদিনে ওই সমস্ত নেতাদের সঠিক মূল্যায়ন করা প্রয়োজন। কর্মীদের মতে, বিএনপির ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাদের সঠিক মূল্যায়ের সময় এসেছে। টানা তিনমাস সরকার বিরোধী আন্দোলনের কারনে বিএনপির শীর্ষ পর্যায় থেকে শুরু করে তৃনমূলের নেতাকর্মীরা একাধিক মামলা জড়িয়ে নারায়ণগঞ্জ ছাড়া হয়। পুলিশের নির্যাতনের হাত থেকে রক্ষা পেতে প্রকাশ্য রাজনীতি ছেড়ে যখন আত্মগোপনে চলে যায়। তখন বিএনপির অনেকটা নেতৃত্বশূণ্য হয়ে পরে। দিক নিদের্শনার অভাবে দলের রাজনৈতিক কর্মকান্ডে স্থবিরতা নেমে আসে। তখনই বিএনপির হাল ধরনের জেলা বিএনপির বেশ কিছু সাহসি, ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতা। পুলিশের হয়রানী কিংবা কোন হামলার তোয়াক্কা না করে বিএনপির রাজনীতিকে চাঙ্গা করে তুলতে এবং দলীয় নেতাকর্মীদের উজ্জিবীত করতে কাজ শুর” করেন। অপরদিকে, দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ডাকা সারা দিয়ে দলের যে সমস্ত নেতাকর্মীরা সরকার বিরোধী আন্দোলনে ঝাপিয়ে পরে পুলিশি নির্যাতন, জেল জুলুম, ও একাধিক মামলার আসামী হয়েছে ফেরারী কিংবা জেল হাজতে রয়েছে ওই সমস্ত নেতাকর্মীদের সঠিক মূল্যায়ন করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন দলের তৃনমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। এছাড়া যারা দলের দু:সময়ে দলের পাশে এসে দাড়িয়েছে, দলীয় প্রধানের দিক নিদের্শনা মতো সরকার বিরোধী আন্দোলনে ঝাপিয়ে পরেছে। যারা দলের হাল ধরে নেতাকর্মীদের নতুন করে উজ্জিবীত করার চেষ্টা চালিয়েছে সে সমস্ত নেতাদের সঠিক মূল্যায় করার সময়ের দাবি। অন্যদিকে যারা সরকার বিরোধী আন্দোলনে বিতর্কীত ভূমিকায় অবর্তীণ হয়েছে সে সমস্ত নেতাদের বির”দ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়ার দাবি করেছে দলের অধিংকাশ নেতাকর্মী। দলের ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাদের মূল্যায়ন করতে ভুল করলে আমাগীদিনে এর চড়া মূল্য দিতে হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষক মহল।

    মেয়াদহীন কমিটি দিয়ে যুবলীগ, স্বেচ্ছা সেবকলীগ, কৃষকলীগের কর্মকান্ড ॥ সম্মেলন না হওয়ায় ক্ষমতাসীনদের অঙ্গ সংগঠনে

    নতুন নেতৃত্ব গড়ে উঠছে না
    13

    মেয়াদ উর্ত্তীন কমিটি দিয়েই চলছে ক্ষমতাসীন দলের রাজনৈতিক কার্   বিস্তারিত>>

  বিনোদন বার্তা
  মাঠ বার্তা
  এই কাল - এই সময়
  প্রবাসে-পরবাসে
  বানিজ্য বার্তা
  ফিচার বার্তা
  তথ্য ও প্রযুক্তি
  স্বাস্থ্য কথা
  অপরাধ বার্তা